Report of Commission on Modern Day Slavery Launched in UN.

Report of Commission on Modern Day Slavery Launched in UN.

Press Release (30 September, 2019)

Co-Convenor Yunus calls for Ensuring Zero Financial Exclusion by Creating Social Business Banks for the Poor

"Financial sector leaders must work not just to address modern slavery and human trafficking at the margins, but also by rethinking their business models to address the root causes and drivers – including financial exclusion", Co convener of the event, Professor Yunus.

On September 27th, Final Report of the Financial Sector Commission on Modern Slavery and Human Trafficking was formally released in the UN as an important UN event in New York. This Commission was set up during the UN General Assembly meeting of the previous year at the initiative of Government of Liechtenstein and joined by the Governments of Australia, the Netherlands, and the United Nations University Centre for Policy Research.

The Commission was formed to put the financial sector at the heart of global efforts to end modern slavery and human trafficking. Target 8.7 of the UN Sustainable Development Goals requires working to end modern slavery and human trafficking by 2030. Today 10,000 people become victims of modern slavery and human trafficking everyday.

The Chair of the Commission was Fiona Reynolds, CEO of the UN-backed Principles for Responsible Investment which represents over $80 trillion of assets under its management.

The Prime Minister of Liechtenstein, H.E. Mr. Adrian Hasler, was the Convenor of the Commission. Co-convenors were the Foreign Ministerof Australia, Senator The Hon. Marise Payne, and Foreign Minister of  the Netherlands, H.E. Mr. Stef Blok, and Father of micro-credit, Nobel Prize laureate, Professor Muhammad Yunus.

The Commission was formed with 25 commissioners from leading financial sector leaders. The Commission held its meetings in Liechtenstein , Sydney, New York and Amsterdam during the past one year to finalize its report.

The Final Report of the Commission has a Blueprint for Mobilizing Finance Against Slavery and Trafficking. It provides a collective action framework where different financial sector actors can implement it in their own ways and at their own speeds. Over time, their collective action will lead to a stronger connection between an enterprise’s behaviour and its costs of capital. The Blueprint sets 5 goals, accompanied by 30 actions – 15 to start with now.

There is growing evidence that lack of access to safe and affordable financial products and services heightens the risk of modern slavery and human trafficking. Financial innovation and investment that increase that access are key to prevent modern slavery and human trafficking.


During the release of the Final Report at the UN chaired by Fiona Reynolds, the Chair of the Commssion, and addressed by the convenor, co-convenors, and  commissioners addressed the meeting.

Professor Muhammad Yunus,the Co-Convenor of the Commission, in his remarks pointed out that it is not a market failure which deprived almost half the population of the world unreached by financial services, it is clearly a system failure. Existing financial institutions are not built to reach the low income men and women. World needs to create Banks for the Poor, particularly with social business principles , to fill that gap.

Microfinance has developed the methodology to reach the unreached, but microfinance has remained a footnote in the financial sector. It needs to be mainstreamed. He emphasized that aiming at financial inclusion is not enough, our aim should be to achieve “zero financial exclusion”. 

In the absence of access to capital natural entrepreneurship among the rural people remain unexpressed. This renders them vulnerable to trafficking and exploitation.The report suggests thataccess to appropriate and safe finance, free from coercion, has the potential to help prevent modern slavery and human trafficking.

Yunus concluded saying “We must mobilize and act now. On the financial front, we must act on a crisis footing. We must use all our institutional power and leverage. Regulators and law-makers must do all they can to open up new opportunities offered by social business. Financial sector leaders must work not just to address modern slavery and human trafficking at the margins, but also by rethinking their business models to address the root causes and drivers – including financial exclusion.

The Liechtenstein Commission launching its report on Modern Slavery and Human Trafficking with a Blueprint for Mobilizing Finance Against Slavery and Trafficking at the UN.




H.E. Mr. Adrian Hasler, Prime Minister, Principality of Liechtenstein


H.E. Mr. Stef Blok, Minister of Foreign Affairs, Government of the Kingdom of the Netherlands

Senator the Hon. Marise Payne, Minister for Foreign Affairs and Minister for Women, Government of Australia

Professor Muhammad Yunus, Nobel Laureate and Founder, Grameen Foundation


Fiona Reynolds, CEO, UN-backed Principles for Responsible Investment


James Kofi Annan, President and Founder, Challenging Heights

Jean Baderschneider, CEO, Global Fund to End Modern Slavery

Tanja Cuppen, Chief Risk Officer, ABN Amro Group N.V.

Olivier de Perregaux, Chief Financial Officer, LGT Group

Mark Eckstein, Director of Environmental and Social Responsibility, CDC Group

Jennifer Fowler, Director, Brunswick Group

The Hon. Rob Jolly, Chair, Utilities Trust of Australia

Barry M. Koch, Esq, Barry M. Koch PLLC

Shawn MacDonald, CEO, Verité

Ed Marcum, Managing Director, Working Capital

Amol Mehra, Managing Director — North America, Freedom Fund

Timea Nagy Payne, CEO and Founder, Timea’s Cause

Anne-Maree O’Connor, Head of Responsible Investment, New Zealand Superannuation Fund (Te Kaitiaki Tahua Penihana Kaumātua o Aotearoa)

Bob Prince, Co-CIO, Bridgewater Associates

Anita Ramasastry, Roland L. Hjorth Professor of Law and the Director of the Graduate Program in Sustainable International Development, University of Washington School of Law

Frederick Reynolds, Global Head of Financial Crime Legal, Barclays

Leonardo Sakamoto, President, Repórter Brasil and Member of the Board, UN Voluntary Trust Fund on Contemporary Forms of Slavery

Dawne Spicer, Executive Director, Caribbean Financial Action Task Force

Anders Strömblad, Head of Alternative Investments and External Management, AP2

Alison Tate, Director of Economic and Social Policy, International Trade Union Confederation

Simon SC Tay, Chairman, Singapore Institute of International Affairs

Daniel Thelesklaf, Director, Money Laundering Reporting Office Switzerland

Hennie Verbeek-Kusters, Head, FIU — the Netherlands

Ambassador Christian Wenaweser (Commissionere.o.), Permanent Representative of the Principality of Liechtenstein to the United Nations in New York

James Cockayne (Commissioner e.o.), Director, United Nations University Centre for Policy Research, Head of Secretariat


প্রেস রিলিজ

জাতি সংঘে “আধুনিক যুগের দাসত্ব” বিষয়ক কমিশনের প্রতিবেদন উপস্থাপন

সামাজিক ব্যবসা ভিত্তিক দরিদ্রদের জন্য ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে “শূন্য আর্থিক বহির্ভূক্তি” (Zero Financial Exclusion) নিশ্চিত করার আহ্বান জানালেন কমিশনের সহ-আহ্বায়ক প্রফেসর ইউনূস২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতি সংঘ সদর দপ্তরে আধুনিক দাসত্ব ও মানব পাচারের উপর গঠিত আর্থিক খাত কমিশনের যুগান্তকারী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য যে, লিচটেনস্টাইন সরকারের উদ্যোগে এবং লিচটেনস্টাইন, অষ্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডস সরকার এবং ইউনাইটেড নেশন্স ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ এর সহযোগে গত বছর জাতি সংঘ সাধারণ পরিষদের বৈঠকে এই কমিশন গঠিত হয়।

আধুনিক দাসত্ব ও মানব পাচার অবসানের লক্ষ্যে আর্থিক খাতকে বৈশ্বিক প্রচেষ্টার কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গঠিত হয় কমিশনটি। জাতি সংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহের ৮.৭ নং লক্ষ্যমাত্রাটি অর্জন করতে হলে ২০৩০ সালের মধ্যে আধুনিক দাসত্ব ও মানব পাচারের অবসান করা প্রয়োজন। বর্তমানে প্রতিদিন ১০ হাজার মানুষ আধুনিক দাসত্ব ও মানব পাচারের শিকার হয়ে থাকে।

কমিশনের চেয়ারপার্সন ছিলেন জাতি সংঘ-সহায়তাপুষ্ট প্রিন্সিপল্স ফর রেস্পননিবল ইনভেস্টমেন্ট এর প্রধান নির্বাহী মিস ফিয়োনা রেনল্ড্স। প্রতিষ্ঠানটি ৮০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পদের ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত আছে।

কমিশনের আহ্বায়ক ছিলেন লিচটেনস্টাইনের প্রধানমন্ত্রী মাননীয় মি. অ্যাড্রিয়ান হ্যাসলার। তিন জন সহ-আহ্বায়করা ছিলেন অষ্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মাননীয় মারিসে পেইনে, নেদারল্যান্ড্স এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় মি. স্টেফ বøক, এবং ক্ষুদ্রঋণের জনক নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

কমিশন গঠিত হয় আর্থিক খাতের নেতৃস্থানীয় ২৫ জন কমিশনারকে নিয়ে। সহ-আহ্বায়কবৃন্দ এবং কমিশনারগণ গত এক বছর ধরে লিচটেনস্টাইন, সিডনি, নিউ ইয়র্ক ও আমস্টারডামে অনেকগুলো বৈঠকের পর তাঁদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেন।

কমিশনের চ‚ড়ান্ত প্রতিবেদনে দাসত্ব ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জন্য আর্থিক সেবা নিশ্চিতকরণের একটি ব্লু-প্রিন্ট রয়েছে। প্রতিবেদনটি একটি যৌথ কর্ম-কাঠামোর রূপরেখা দিয়েছে যেখানে বিভিন্ন আর্থিক খাতের অংশীদাররা যার যার মতো তাদের নিজস্ব গতিতে এটা বাস্তবায়ন করতে পারবে। এক সময়ে তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আচরণ ও মূলধনী ব্যয়ের মধ্যে শক্তিশালী যোগসূত্র গড়ে উঠবে। ব্লু-প্রিন্টটিতে ৫টি লক্ষ্য ও ৩০টি কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়েছে - যার মধ্যে ১৫টি নিয়ে এখনই কাজ শুরু করতে হবে।

নিরাপদ ও সহজলভ্য আর্থিক সেবাসমূহে প্রবেশাধিকারের অভাব যে আধুনিক দাসত্ব ও মানব পাচারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় তার প্রমাণ প্রতিনিয়ত জোরদার হচ্ছে। এসব পণ্য ও সেবার প্রাপ্তি বৃদ্ধি করে এমন আর্থিক উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ আধুনিক দাসত্ব ও মানব পাচার রোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে বলে কমিশন মনে করে।

জাতি সংঘ কার্যালয়ে কমিশনের চ‚ড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের সময়ে এর চেয়ারপার্সন মিস ফিয়োনা রেনল্ড্স ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কমিশনের আহ্বায়ক, সহ-আহ্বায়ক ও কমিশনারগণ।

কমিশনের অন্যতম সহ-আহ্বায়ক প্রফেসর ইউনূস বলেন যে, পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক আর্থিক সেবা থেকে বঞ্চিত থাকার কারণ কোনো বাজার ব্যর্থতা নয়, এটা পরিস্কারভাবে অর্থনীতির কাঠামোগত ব্যর্থতা। বিদ্যমান আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিম্ন আয়ের নারী-পুরুষদের কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছানোর উপযোগী করে তৈরী করা হয়নি। এই ঘাটতি পূরণ করতে বিশেষ করে সামাজিক ব্যবসার নীতির ভিত্তিতে দরিদ্রদের জন্য আলাদা ব্যাংক সৃষ্টি করা প্রয়োজন।

সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের কাছে পৌঁছাতে একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি গড়ে তুললেও ক্ষুদ্রঋণ এখনো আর্থিক খাতে একটি পাদটিকা হয়ে রয়েছে। এটাকে মূলধারায় প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, শুধু আর্থিক অন্তর্ভূক্তি যথেষ্ঠ নয়, আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত “শূন্য আর্থিক বহির্ভূক্তি” নিশ্চিত করা।

মূলধনের অভাবে গ্রামাঞ্চলের মানুষের ভেতরকার সহজাত উদ্যোক্তা শক্তি উন্মোচিত হতে পারে না। এতে তারা সহজেই মানব পাচার ও বঞ্চনার শিকার হয়ে পড়ে। এই প্রতিবেদনে শোষণমুক্ত, উপযুক্ত ও নিরাপদ অর্থায়ন আধুনিক দাসত্ব ও মানব পাচার থেকে দরিদ্র মানুষকে অনেকটাই দুরে রাখতে পারে বলে সুপারিশ করা হয়।

সবশেষে প্রফেসর ইউনূস বলেন যে, “আমাদেরকে এখনই কাজে নেমে পড়তে হবে। আর্থিক দিক থেকে এখনই জরুরীভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সকল প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন ও শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। নিয়ন্ত্রক ও আইন প্রণেতাদেরকে সামাজিক ব্যবসা যে সকল নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে সেগুলোর দরজা উন্মুক্ত করে দিতে হবে। আর্থিক খাতের নেতৃবৃন্দকে শুধু আধুনিক দাসত্ব ও মানব পাচারের প্রান্তিক পর্যায়ের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করলে চলবে না, তাঁদেরকে আর্থিক বহির্ভূক্তি সহ এসকল সমস্যার মূল কারণগুলো দূর করতে তাঁদের ব্যবসাসংযুক্তি

কমিশনের আহ্বায়ক:

মি. অ্যাড্রিয়ান হ্যাসলার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, প্রিন্সিপালিটি অব লিচটেনস্টাইসহ-আহ্বায়ক:

মি. স্টেফ বøক, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নেদারল্যান্ড্স সরকার।

সিনেটর মারিসে পেইনে, মাননীয় পররাষ্ট্র ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রী, অষ্ট্রেলিয়া।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস, নোবেল লরিয়েট ও ক্ষুদ্রঋণেরকমিশনের চেয়ারপার্সন:

মিস ফিয়োনা রেনল্ড্স, প্রধান নির্বাহী, জাতি সংঘ-সহায়তাপুষ্ট প্রিন্সিপাল্স ফর রেস্পননিবল ইনভেস্টমেন্কমিশনারগণ:

জেমস কফি আনান, প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা, চ্যালেঞ্জিং হাইট্স।

জিন বাডেরস্নাইডার, প্রধান নির্বাহী, গ্লোবাল ফান্ড টু এন্ড ¯স্লেভারী।

টানজা কুপেন, চীফ রিস্ক অফিসার, এবিএম আমরো গ্রুপ, এনভি।

অলিভিয়ার দ্য পেরেগো, চীফ ফাইনান্সিয়াল অফিসার, এলটিজি গ্রুপ।

মার্ক এক্সটেইন, ডিরেক্টর অব এনভায়ার্নমেন্টাল এন্ড সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি, সিডিসি গ্রুপ।

জেনিফার ফাউলার, ডিরেক্টর, ব্রুন্সউইক গ্রুপ।

মাননীয় রব জলি, চেয়ারপার্সন, ইউটিলিটিজ ট্রাস্ট অব অষ্ট্রেলিয়া।

ব্যারি এম কশ, এস্কুইয়ার, ব্যারি এম কশ পিএলএলসি।

শ্যন ম্যাকডোনাল্ড, প্রধান নির্বাহী, ভেরিটে।

এড মারকাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল।

আমল মেহরা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক-নর্থ আমেরিকা, ফ্রিডম ফান্ড।

টিমিয়া নেইজি প্যায়নে, প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা, টিমিয়া’স কজ।

অ্যানে-ম্যারি ও’কনর, হেড অব রেসপনসিবল ইনভেস্টমেন্ট, নিউজিল্যান্ড সুপারঅ্যানুয়েশন ফান্ড (কে তাইটিয়াকি তাহুয়া পেনিহানা কাওমেতুয়া অ আওতেয়ারোয়া)।

বব প্রিন্স, কো-সিআইও, ব্রিজওয়াটার অ্যাসেসিয়েট্স।

অ্যানিটা রামাশাস্ত্রী, রোনাল্ড এল এইচজরথ প্রফেসর অব ’ল ও পরিচালক, গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম ইন সাসটেইনেবল ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন স্কুল অব ’ল।

ফ্রেডেরিক রেনল্ড্স, গেøাবাল হেড, ফাইনান্সিয়াল ক্রাইম লিগ্যাল, বার্কলেজ।

লিওনার্দো সাকামোতো, প্রেসিডেন্ট, রিপোর্টার ব্রাজিল এবং বোর্ড মেম্বার, জাতি সংঘ ভলান্টারী ট্রাস্ট ফান্ড অন কনটেমপোরারী র্ফমস অব ¯স্লেভারী।

ডনে স্পাইসার, নির্বাহী পরিচালক, ক্যারিবিয়ান ফাইনান্সিয়াল অ্যাকশন ট্রাস্ক ফোর্স।

অ্যার্ন্ডাস স্ট্রোয়েমবøাড, হেড অব অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট্স এন্ড এক্সটারনাল ম্যানেজমেন্ট, এপি-২।

অ্যালিসন টেইট, পরিচালক, ইকোনমিক এন্ড সোশ্যাল পলিসি, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন।

সাইমন এসসি টেই, চেয়ারম্যান, সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স।

ড্যানিয়েল টেলেসক্লাফ, পরিচালক, মানি লন্ডারিং রিপোর্টিং অফিস সুইজারল্যান্ড।

হেনি ভারবিক-কুস্টারস, নির্বাহী প্রধান, এফআইইউ, নেদারল্যান্ডস।

অ্যাম্বাসেডর ক্রিশ্চিয়ান ভেনাভেসার (কমিশনার), জাতি সংঘ নিউ ইয়র্ক কার্যালয়ে প্রিন্সিপালিটি অব লিশচেনস্টাইনের স্থায়ী প্রতিনিধি।

জেমস ককেইনে, (কমিশনার), ডিরেক্টর, ইউনাইডেট নেশন্স ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ, হেড অব সেক্রেটারিয়েট।ট।



য়ের মডেল গুলোও পুনর্বিবেচনা করতে হবে।”