Leading Swiss Technology University and Yunus Centre to Collaborate

Press Release (13 December, 2017)

Yunus Centre will undertake social businesses as field trials of Innovations

From the left: The President of École Polytechnique Fédérale de Lausanne  (EPFL) Professor Martin Vetterrli, Professor Muhammad Yunus, and Professor Marc Gruber, Vice President for Innovation of EPFL and Director of  Yunus Social Business Centre (YSBC) at the university.

Nobel Laureate Professor Muhammad Yunus gave a public lecture in a packed hall at the prestigious Swiss University École Polytechnique Fédérale de Lausanne (EPFL). Professor Yunus was at the university for formal launching of the Yunus Social Business Centre (YSBC) at the university.

EPFL is a university in Lausanne, Switzerland, that specializes in natural sciences and engineering funded by federal government. It is widely regarded as a world leading university.

 

Four hundred participants including President of the university, faculty members and students defied cold rainy weather and attended the lecture inside the packed auditorium. More were waiting outside and trying to get in to hear the lecture of Professor Yunus. About 100 copies of Professor Yunus's book ‘A World of Three Zeroes’ were given as prizes to students.

In his speech Professor Yunus emphasized that all technology must define their social mission before they are designed. The idea of technology for technology's sake or solely for the sake of making money should be changed into a purpose driven one. It would need a system of social scrutiny. Social gatekeepers must keep a watchful eye on them and time bound permission to apply them to justify their positive social impact. Governments must formulate social guidelines for designers of technology. It should not be allowed as a "free for all" zone.

Professor Martin Vetterli, President of the university had a meeting with Professor Yunus to discuss the potential of collaboration between the university and Yunus Center. They decided to collaborate on all technology applications. Yunus Centre will undertake field trials of all technologies developed by EPFL through social business applications. The university agreed to make the PhD students of EPFL to be encouraged to apply their technology to solve concrete social problems.

The President invited Professor Yunus to be the guest of honour for their event on sports and athletics next year.

 The President of École Polytechnique Fédérale de Lausanne  (EPFL) Professor Martin Vetterrli and Professor Muhammad Yunus discussing collaboration  between their institutions on technology applications to solve concrete problems.

------

প্রেস রিলিজ

নেতৃস্থানীয় সুইস প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনূস সেন্টারের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি

ইউনূস সেন্টার উদ্ভাবনমূলক প্রযুক্তির মাঠ পরীক্ষার জন্য সামাজিক ব্যবসা পরিচালনা করবে

নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সুইজারল্যান্ডের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ইকোল পলিটেকনিক ফেডারেল দ্য লুজান (École Polytechnique Fédérale de Lausanne  - EPFL) -এর জনাকীর্ণ হল কক্ষে একটি জন বক্তৃতা প্রদান করেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে প্রফেসর ইউনূস এ সময়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

লুজান, সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত ইকোল পলিটেকনিক ফেডারেল দ্য লুজান সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল সরকারের অর্থায়নে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে বিশেষায়িত একটি  বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বের নেতৃস্থানীয় একটি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টি সর্বজনবিদিত।

বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রেসিডেন্ট, শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্ররা সহ প্রায় ৫০০ জন অংশগ্রহণকারী প্রবল শীত ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রফেসর ইউনূসের বক্তৃতা শুনতে উপচে-পড়া অডিটোরিয়ামে জড়ো হন। আরো অনেকে অডিটোরিয়ামের বাইরে থেকে তাঁর বক্তৃতা শোনেন। প্রফেসর ইউনূসের সর্বশেষ গ্রন্থ “A World of Three Zeros” এর প্রায় ১০০ কপি এ সময়ে পুরস্কার হিসেবে ছাত্রদের দেয়া হয়।

তাঁর বক্তব্যে প্রফেসর ইউনূস জোর দিয়ে বলেন যে, যে কোনো প্রযুক্তি তৈরীর আগে অবশ্যই তার সামাজিক লক্ষ্যটি বিবেচনায় আনতে হবে। শুধু প্রযুক্তির নিজের জন্য প্রযুক্তি কিংবা শুধু মুনাফার জন্য প্রযুক্তির ধারণার পরিবর্তে আমাদের বরং সামাজিক উদ্দেশ্য-চালিত প্রযুক্তির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এজন্য একটি সামাজিক যাচাই-বাছাইয়ের ব্যবস্থা থাকা দরকার। সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে এবং কোনো প্রযুক্তির ইতিবাচক সামাজিক প্রভাব যাচাইয়ের জন্য সময় বেঁধে দিতে হবে। সরকারগুলোকে অবশ্যই প্রযুক্তি উদ্ভাবনকারীদের জন্য সামাজিক গাইডলাইন তৈরী করে দিতে হবে। এটা যেন “সবার জন্য মুক্ত” (Free for All) না থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর মার্টিন ভেট্টেরলি ইকোল পলিটেকনিক ফেডারেল দ্য লুজান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইউনূস সেন্টারের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করতে প্রফেসর ইউনূসের সাথে একটি বৈঠক করেন। তাঁরা প্রযুক্তি প্রয়োগের সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত হয় যে, এই বিশ্ব¦বিদ্যালয়ে উদ্ভাবিত সকল প্রযুক্তির মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষার দায়িত্ব নেবে ইউনূস সেন্টার। ইকোল পলিটেকনিক ফেডারেল দ্য লুজান তার পিএইচডি পর্যায়ের ছাত্রদেরকে সুনির্দিষ্ট সামজিক সমস্যা সমাধানে তাদের প্রযুক্তি প্রয়োগে উৎসাহিত করার অঙ্গীকার করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট বিশ্ববিদ্যালটির আগামী বছরের ক্রীড়া ও অ্যাথলেটিক অনুষ্ঠানে গেষ্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থাকতে প্রফেসর ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানান।

ছবির ক্যপশন-১ঃ (বাম দিক থেকে) ইকোল পলিটেকনিক ফেডারেল দ্য লুজান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর মার্টিন ভেট্টেরলি, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রতিষ্ঠিত ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর মার্ক গ্রুবের।

ছবির ক্যপশন-২ঃ ইকোল পলিটেকনিক ফেডারেল দ্য লুজান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর মার্টিন ভেট্টেরলি ও  প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সুনির্দিষ্ট সামাজিক সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে তাঁদের উভয়ের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করছেন।

---------

hard-extreme.com tellyseries